• সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এড. আমজাদ হোসেন কখনও অর্থবিত্তের জন্য রাজনীতি করেননি-এড.ফরিদুল ইসলাম এড.আমজাদ হোসেনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন পূর্ব বড় ভেওলা মাহমুদিয়া হেফজখানা ও এতিমখানায় সাহায্যের আবেদন চকরিয়ায় দখলবাজরা কেটে নিল সামাজিক বনায়নের শতাধিক গাছ মানবিক সাহায্যের আবেদন জাফর আলম এমপি ও জাহেদুল ইসলাম লিটু কে বিশাল সংবর্ধনা আধুনিক ও বাসযোগ্য চকরিয়া পৌরসভা রূপান্তরে কাজ করবো-মেয়র প্রার্থী এড. ফয়সাল চকরিয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতিকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চকরিয়া বিএমচর ইউপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর, চেয়ারম্যানসহ আহত ৪ চকরিয়া কোনাখালীতে পৈতৃক ভিটা জবর দখলে নিতে সন্ত্রাসী হামলা

বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্র খুলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৯ সময় দেখুন
আপডেট : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

প্রায় ৫ মাস বন্ধ থাকার পর জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো আজ সকাল থেকে খুলে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বান্দরবানের নীলাচলে সকাল থেকে আসতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। মুখে মাস্ক লাগিয়ে, হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে টিকিট কেটে একে একে প্রবেশ করছেন পর্যটকরা। ছুটির দিন হলেও সকালে পর্যটকের তেমন ভিড় দেখা যায়নি। অনেক পর্যটক পর্যটন কেন্দ্রে পরিবার, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে এদিক ওদিক ছুটছেন। কেউ প্রাকৃতিক দৃশ্যটিকে নিজের ক্যামরায় বন্দী করছেন। কেউবা দোলনায় দুলছেন।

নীলাচল পর্যটনকেন্দ্রের টিকেট কালেক্টর দিলীপ বড়ুয়া জানান, সকাল থেকে ৭০টি টিকেট বিক্রি হয়েছে। অনেকে মাস্ক পড়ে পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ করছেন। বিকেলে পর্যটকের কিছুটা ভিড় দেখা যেতে পারে।

লকডাউন শেষে ঢাকার মিরপুর থেকে আসা পর্যটক শাহনাজ আকতার জানান, করোনা লকডাউনের পর সরকার দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দিয়েছে। এখানে প্রথম এসেছি। দেশের মধ্যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ভরপুর এমন একটা জায়গা আছে এখানে না আসলে জানতে পারতাম না।

ঢাকা থেকে আসা আরেক পর্যটক শাহাদাত হোসেন জানান, করোনায় ঢাকায় শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় ছিলাম। এখানে এসে স্বস্থির নিশ্বাস ফেলছি। অনেক সুন্দর জায়গা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম হোসেন জানিয়েছেন, আজ সকাল থেকে পর্যটনকেন্দ্র ও হোটেল মোটেল খুলে দেয়া হয়েছে। পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

করোনা প্রতিরোধে গত ১৮ মার্চ থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় জেলা প্রশাসন। জেলায় ৬০টি হোটেল-মোটেল রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category