• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এড. আমজাদ হোসেন কখনও অর্থবিত্তের জন্য রাজনীতি করেননি-এড.ফরিদুল ইসলাম এড.আমজাদ হোসেনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন পূর্ব বড় ভেওলা মাহমুদিয়া হেফজখানা ও এতিমখানায় সাহায্যের আবেদন চকরিয়ায় দখলবাজরা কেটে নিল সামাজিক বনায়নের শতাধিক গাছ মানবিক সাহায্যের আবেদন জাফর আলম এমপি ও জাহেদুল ইসলাম লিটু কে বিশাল সংবর্ধনা আধুনিক ও বাসযোগ্য চকরিয়া পৌরসভা রূপান্তরে কাজ করবো-মেয়র প্রার্থী এড. ফয়সাল চকরিয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতিকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চকরিয়া বিএমচর ইউপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর, চেয়ারম্যানসহ আহত ৪ চকরিয়া কোনাখালীতে পৈতৃক ভিটা জবর দখলে নিতে সন্ত্রাসী হামলা

করোনা কী শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে!!

বিজয় সমাচার ডেস্ক / ২৮৪ সময় দেখুন
আপডেট : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

সম্পাদকীয় কলাম

দেশের সবই উন্মুক্ত, শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। কেউ খুশিতে হাসছে আবার কেউ আত্মগোপনে কাঁদছে। এর জন্য কিন্তু কেউ দায়ী নয়, শুধুমাত্র দায়ী অভিশপ্ত মহামারী করোনা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, বেতনও বন্ধ। এমনকি কোচিংও বন্ধ। ইনকামের কোনো পথও খোলা নেই। এমতাবস্থায় বর্তমানে দারিদ্রতার পেষণে বাকরুদ্ধ বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা।

সরকারি ও এমপিও শিক্ষকরা ঠিক সময়ে বেতন পেয়ে আসছে। কিন্তু বেসরকারি ও নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারীরা আজ বেতন পাওয়া তো দূরের কথা, নিজের সামান্য অর্জিত জমিটুকুও বিক্রি করে কোনো রকমের সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার যাদের জমিও নেই তাঁরা স্ত্রীর জমানো স্বর্ণ বিক্রি করে সংসার সুখে রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু বর্তমানে স্বর্ণ বিক্রির টাকাও শেষ। এখন তাঁদের জীবন অন্ধকারে নিমজ্জিত।

বিশ্ব ব্যাপী কোভিট১৯ করোনা মহামারীর প্রকোপে বন্ধ হওয়া হাজার হাজার বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মচারীরা খুবই অসহায় আর মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সরকারের ঘোষিত বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মচারীদের প্রণোদনা দেয়ার কথা থাকলেও অনেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা তা পায়নি, এমনকি সরকারী কোন অনুদান পর্যন্ত তাদের কপালে জুড়েনি। এখন তারা না পারছে কারো কাছে চাইতে আর না পারছে সইতে। এমতাবস্থায় যদি বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খুলে দেওয়া হয় তাহলে অসহায়ত্ব আর আর্তনাদে হাজার হাজার শিক্ষকের জীবন বিপন্ন হবে। এখানে বলা বাহুল্য যে, কওমি লাইনের অনেক প্রতিষ্ঠান খোলা আছে বা খুলে দিয়েছে। তাহলে ওখানে কি করোনায় সংক্রমিত হবেনা? যতসব জ্বালা শুধু বেসরকারী শিক্ষকদের কপালে।

করোনার আঘাত যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেগেই আছে, তখন সরকারের একান্ত উচিত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পাশে দাঁড়ানো। না হয় মানুষ গড়ার কারিগর ঐ শিক্ষকরা আর্থিকভাবে লাঞ্ছিত হবে, সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হবে। এমনকি তাদের পেশা পরিবর্তন করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ইতিমধ্যে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক তাদের পেশা পরিবর্তন করে রিক্সা চালাচ্ছেন, রাজমিস্ত্রীর কাজ করছেন, চায়ের দোকানে রুটি বানাচ্ছেন ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার অনেকে নিজের লজ্জার কথা চিন্তা করে অন্য পেশায় যুক্ত না হয়ে বাড়িতে বসে বসে চোখের পানি ঝরাচ্ছেন।

যারা শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিজের মেধা দিয়ে কঠোর পরিশ্রম করেছেন ঐ সকল শিক্ষকদের চোখে পানি আসবে, এটা কখনো মেনে নেয়া যায় না।

পরিশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দিকে একটু নজর দিন। শিক্ষক বাঁচলে, শিক্ষা ব্যবস্থা বাঁচবে।

এম, রিদুয়ানুল হক; সম্পাদক ও প্রকাশক-বিবিসি একাত্তর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category