• বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এড. আমজাদ হোসেন কখনও অর্থবিত্তের জন্য রাজনীতি করেননি-এড.ফরিদুল ইসলাম এড.আমজাদ হোসেনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন পূর্ব বড় ভেওলা মাহমুদিয়া হেফজখানা ও এতিমখানায় সাহায্যের আবেদন চকরিয়ায় দখলবাজরা কেটে নিল সামাজিক বনায়নের শতাধিক গাছ মানবিক সাহায্যের আবেদন জাফর আলম এমপি ও জাহেদুল ইসলাম লিটু কে বিশাল সংবর্ধনা আধুনিক ও বাসযোগ্য চকরিয়া পৌরসভা রূপান্তরে কাজ করবো-মেয়র প্রার্থী এড. ফয়সাল চকরিয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতিকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চকরিয়া বিএমচর ইউপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর, চেয়ারম্যানসহ আহত ৪ চকরিয়া কোনাখালীতে পৈতৃক ভিটা জবর দখলে নিতে সন্ত্রাসী হামলা

মসজিদে বিস্ফোরণ : দগ্ধদের খোঁজ নিতে এলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক

মেডিক্যাল প্রতিবেদক / ৯২ সময় দেখুন
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার তল্লা এলাকায় মসজিদে বিস্ফোরণো ঘটনায় শেষ পর্যায়ে দগ্ধদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পরিদশর্নে আসেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডা. জুলফিকার লেলিন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি হাসপাতালে এসে রোগীদের অবস্থা দেখেন এবং তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলেন। তারপর চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে রোগীদের অবস্থা জানার চেষ্টা করেন তিনি।

হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার জন্যই এ বার্ন ইনস্টিটিউটি করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের মসজিদে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তাতে দগ্ধদের অধিকাংশ ৯০ শতাংশ পোড়া ছিলেন। তাদের চিকিৎসার জন্য যা যা প্রয়োজন সব সাপোর্টই, এ হাসপাতালের রয়েছে। শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী তাদের চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর রাখছেন। ওষুধ থেকে শুরু করে সবকিছুই সরকারিভাবে ব্যবস্থা করে দেয়ার নির্দেশ তিনি দিয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। আমি আজ এখানে চিকিৎসায় ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কোনো ঘাটতি রয়েছে কিনা, এটি দেখার জন্য এসেছি। তবে এমন কোনো ঘাটতি দেখতে পাইনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসকরা সবকিছুরই ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘তবে রোগীর স্বজনদের আবেগের জায়গায় হয়তো কিছুটা সমস্যা রয়েছে যে, তারা রোগীদের দেখতে পারছেন না, আইসিইউর ভেতরে ঢুকতে পারছেন না। ইনফেকশনের ভয়ে রোগীদের কাছে বারবার স্বজনদের যেতে না দেয়ায় বিভিন্ন অভিযোগ থাকতে পারে। তবে দিনে দু-একবার যাওয়ার সুযোগ দেন চিকিৎসকরা। এখানে কোনো চিকিৎসার ঘাটতি রয়েছে এমন কোনো অভিযোগ পাইনি। এখান থেকে রোগীকে বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করবে, এমন কোনো ব্যবস্থা নেই। বরং বাইরে থেকে রোগী এখানে আসবে। ’

ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যে একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। হাসপাতালের আইসিইউতে সবার চিকিৎসা চলছে। তাদের কেউ শঙ্কামুক্ত নন। তাদের চিকিৎসা জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চলচ্ছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category