• সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:১০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এড. আমজাদ হোসেন কখনও অর্থবিত্তের জন্য রাজনীতি করেননি-এড.ফরিদুল ইসলাম এড.আমজাদ হোসেনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন পূর্ব বড় ভেওলা মাহমুদিয়া হেফজখানা ও এতিমখানায় সাহায্যের আবেদন চকরিয়ায় দখলবাজরা কেটে নিল সামাজিক বনায়নের শতাধিক গাছ মানবিক সাহায্যের আবেদন জাফর আলম এমপি ও জাহেদুল ইসলাম লিটু কে বিশাল সংবর্ধনা আধুনিক ও বাসযোগ্য চকরিয়া পৌরসভা রূপান্তরে কাজ করবো-মেয়র প্রার্থী এড. ফয়সাল চকরিয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতিকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চকরিয়া বিএমচর ইউপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর, চেয়ারম্যানসহ আহত ৪ চকরিয়া কোনাখালীতে পৈতৃক ভিটা জবর দখলে নিতে সন্ত্রাসী হামলা

একনেকে ৫৩৪.৩৪ কোটি টাকায় ৪ প্রকল্পের অনুমোদন

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ৮৮ সময় দেখুন
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দুইশত দুই কোটি টাকায় ‘দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্পসহ চারটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

মঙ্গলবার একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে চলতি অর্থবছরের অষ্টম একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এবং একনেক সদস্যরাসহ সংশ্লিষ্টরা একনেক ভবন থেকে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে এমএ মান্নান জানান, একনেক সভায় তিনটি সংশোধিত প্রকল্পসহ চারটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে ৫৩৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা (সংশোধিত প্রকল্পগুলোর শুধু বাড়তি টাকা এখানে হিসেব করা হয়েছে) ব্যয় হবে।

তিনি আরো জানান, মোট ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৪৪০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা এবং বিদেশি ঋণ থেকে আসবে ৯৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

‘দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্প প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ২০২ কোটি ৪ লাখ টাকার এ প্রকল্পটি ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য প্রকল্প অঞ্চলে উৎপাদন ৩.৮৬ লাখ মেট্রিক টন থেকে ৪.৪৬ লাখ মেট্রিক টন বৃদ্ধি করা।

প্রকল্পটি গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর বরগুনা ও নড়াইল জেলার পাশাপাশি ফরিদপুর ও বাগেরহাট জেলার দুটি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমে ১৬০টি মাছের অভয়ারণ্য স্থাপন, ২৪০টি মাছের অভয়ারণ্য মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্থানীয় প্রজাতির মাছের প্রদর্শনের জন্য ৩৯২টি খামার স্থাপন, উপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার এবং ১৯০টি বিল নার্সারি স্থাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category