• বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এড. আমজাদ হোসেন কখনও অর্থবিত্তের জন্য রাজনীতি করেননি-এড.ফরিদুল ইসলাম এড.আমজাদ হোসেনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন পূর্ব বড় ভেওলা মাহমুদিয়া হেফজখানা ও এতিমখানায় সাহায্যের আবেদন চকরিয়ায় দখলবাজরা কেটে নিল সামাজিক বনায়নের শতাধিক গাছ মানবিক সাহায্যের আবেদন জাফর আলম এমপি ও জাহেদুল ইসলাম লিটু কে বিশাল সংবর্ধনা আধুনিক ও বাসযোগ্য চকরিয়া পৌরসভা রূপান্তরে কাজ করবো-মেয়র প্রার্থী এড. ফয়সাল চকরিয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতিকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চকরিয়া বিএমচর ইউপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর, চেয়ারম্যানসহ আহত ৪ চকরিয়া কোনাখালীতে পৈতৃক ভিটা জবর দখলে নিতে সন্ত্রাসী হামলা

পেকুয়ার নুইন্যামুনিয়া খালে নৌকায় চড়া

বিবিসি একাত্তর ডেস্ক / ১৬০ সময় দেখুন
আপডেট : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

এখানে হয়তো অতলান্ত সাগর নেই, রয়েছে সবুজের সমারোহ ‘সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে/ সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে।’ বিদেশের মাটিতে বসে নিজের শৈশবের কপোতাক্ষ নদের কথা মনে করে কালজয়ী কবিতা লিখেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। কপোতের চোখের মত স্বচ্ছ পানি আর খরস্রোতা সেই নদ স্মৃতিকাতর করে তুলেছিল কবিকে। আমাদের দেশের সেই বিখ্যাত কপোতাক্ষ নদ এখন কেমন আছে জানিনা। কিন্তু কক্সবাজার জেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের আমাদের ছোট বেলার স্মৃতি বিজড়িত নুইন্যামুনিয়া খালটি এখনও ঠিক সেই আগের মতই আছে। নিদেনপক্ষে ৪৫ কী ৫০ বছর আগের কথা। এই খালের পানিতে নিত্য জোয়ারভাটার স্রোত বয়ে চলত। আজও এই খালে জোয়ারভাটার টান পড়ে। যদিও বা জোয়ারভাটার ওই স্রোতের টান এখন স্লুইচ গেটের জলকাপাট এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রয়োজনে স্লুইচ গেটের জলকপাট আটকে দিলে ভেতরের খালটা লেকে পরিনিত হয়। তখন পানি হয়ে যায় স্বচ্ছ। জোয়ারভাটার স্রোতে খালের এ পাড়ে ডুব দিয়ে ওপারে গিয়ে উঠার সেই শৈশবের প্রতিযোগিতার কথা এখনও স্মৃতি থেকে ম্লান হয়ে যায়নি। বারংবার সেই ছোট বেলার স্মৃতি গুলো ঘুমের মধ্যেও স্বপ্নাকারে ভেসে উঠে। এখনও এই খালটি বহমান আছে, শরতের এই দিনে নদীর দুইধারে সবুজ ধান খেত। মাঝেমধ্যে খালে পানকৌড়ি আর বনো হাসেরও দেখা মেলে। স্বচ্ছ পানি। পানিতে খালের পাড়ের গাছ গাছলির প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। এ সময়ে খালে পানিও আছে। বিলজুড়ে আমনের চাষ, সবুজের সমাহার। ধান খেতের মধ্যদিয়ে খালে নৌকায় চড়ার মজাটাই আলাদা। সারাক্ষন কাজ করতে করতে যারা হাফিয়ে উঠছেন, একটু বিনোদনের জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না, তারা সন্ধ্যায় ‘নুইন্যামুনিয়া খাল’ এ গিয়ে নৌকায় চড়ে আসতে পারেন। এখানে হয়তো অতলান্ত সাগর নেই, রয়েছে সবুজের সমরোহ। এই সবুজের সমারোহে কিছুক্ষণের জন্য প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের মাঝে হারিয়ে যেতে পারেন। স্পটটি পেকুয়া-চকরিয়া-বাঁশখালী আঞ্চলিক মহা সড়কের সাথে একেবারে লাগোয়া। পেকুয়া উপজেলা সদরের সামান্য দক্ষিণ দিকে গাড়ীতে করে মাত্র দুই মিনিটের পথ। চকরিয়া সদর হতে লাল ব্রীজ হয়ে প্রায় আধা ঘন্টার পথ। নুইন্যামুনিয়ায় সড়কের পাশের বাগানের গাছের সাথে নৌকা বাঁধা আছে। কাদামাটির কোন ঝুটঝামেলা নেই। সড়ক থেকেই সরাসরি পা ফেলে নৌকায় উঠে যেতে পারবেন। এখানকার প্রকৃতিক অপার সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করে তুলবেই। নুইন্যামুনিয়া খালের স্বচ্ছ পানিতে নৌকায় চড়া হয়ে উঠতে পারে এতাদঞ্চলে বিনোদনের সেরা স্পট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category