• সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:১৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এড. আমজাদ হোসেন কখনও অর্থবিত্তের জন্য রাজনীতি করেননি-এড.ফরিদুল ইসলাম এড.আমজাদ হোসেনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন পূর্ব বড় ভেওলা মাহমুদিয়া হেফজখানা ও এতিমখানায় সাহায্যের আবেদন চকরিয়ায় দখলবাজরা কেটে নিল সামাজিক বনায়নের শতাধিক গাছ মানবিক সাহায্যের আবেদন জাফর আলম এমপি ও জাহেদুল ইসলাম লিটু কে বিশাল সংবর্ধনা আধুনিক ও বাসযোগ্য চকরিয়া পৌরসভা রূপান্তরে কাজ করবো-মেয়র প্রার্থী এড. ফয়সাল চকরিয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতিকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চকরিয়া বিএমচর ইউপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর, চেয়ারম্যানসহ আহত ৪ চকরিয়া কোনাখালীতে পৈতৃক ভিটা জবর দখলে নিতে সন্ত্রাসী হামলা

হারবাংয়ে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য

সংবাদদাতার নাম / ৩৫২ সময় দেখুন
আপডেট : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০

 

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এডহক কমিটি) সদস্য নাজেম উদ্দিন বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের কাছে টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন উক্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের অবিভাবকগণ।
শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহে বর্তমানে চলমান এসাইন্টমেন্ট ভিত্তিক মুল্যায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কপি বিদ্যালয় কতৃক বিতরণের দুইদিন পূর্বেই, গত ৩ ও ৪ নভেম্বর’২০২০ইং, অনৈতিক ভাবে টাকা নিয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের কাছে বিক্রি করছেন।
বিদ্যালয়ের অবিভাবক নাজেম উদ্দিন বলেন, আমার মেয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীতে পড়ে, ওদের প্রশ্ন পত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নাজেম উদ্দিনের লাইব্রেরীতে পাওয়া যাচ্ছে, এমন খবর শোনে ওনার দোকানে গিয়ে দেখি শতাধিক ছাত্র/অবিভাবকদের ভিড়। আমিও লাইনে দাড়িয়ে টাকা দিয়ে আমার মেয়ের জন্যে প্রশ্নপত্র কিনেছি। প্রশ্নপত্র বিক্রির সময় লাইব্রেরীর মালিক নাজেম উদ্দিন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেনের নির্দেশেই বিক্রি করছেন বলে অবিভাবকদের জানান। হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নাজেম উদ্দিন টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির কথা স্বীকার করে বলেন, আমি শুধু ফটোকপি করানোর টাকা নিয়েছি, প্রশ্নপত্রের টাকা নিইনি। এক কপি ফটোকপি করতে ২০ টাকা কেন? জানতে চাইলে, এর কোন সদোত্তর দিতে পারেনি। এ বিষয়ে হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাষ্টার কামাল হোসেন বলেন, আমি কাউকে টাকা দিয়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি করতে বলিনি, বিদ্যালয়ের বাইরে কেউ একজন প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বলে শোনেছি, টাকা দিয়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির নিয়ম নেই, তবে উনি কেন টাকা নিচ্ছেন? সে বিষয়ে উনিই ভালো বলতে পারবেন।
টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির বিষয়টি দুঃখজনক উল্লেখ করে, স্থানীয় ইউপি সদস্য বলেন- গঠনাটি আমরা শুনেছি, এ বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্যে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category