• রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
সংসদের উচ্চকক্ষ-নিম্নকক্ষ কী, কীভাবে পরিচালিত হবে? কোটচাঁদপুরে যৌথ বাহিনীর মহড়া সিংড়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা চকরিয়ায় সরকারি টোল পয়েন্ট দখল করে নদীতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ চকরিয়ায় নিঃসন্তান বৃদ্ধের শেষ সম্বল দুই গরু চুরি দুবাইতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চকরিয়া জোনাল অফিসে অনুমোদিত ভিলেজ টেকনিশিয়ানদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ ইনসাফ ও সুশাসনের বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি- আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া কুশনায় জামায়াত প্রার্থী মতিয়ার রহমানের নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল চকরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু

সংসদের উচ্চকক্ষ-নিম্নকক্ষ কী, কীভাবে পরিচালিত হবে?

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৪৫ Time View
Update : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শেষ হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আজ (১৪ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে নির্বাচনের ফলাফল। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে শুরু হওয়ার কথা সংসদ অধিবেশন।

এবারের সংসদ অবশ্য কিছুটা আলাদা হবে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদ দেখা গেলেও এবারই প্রথম দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ দেখা যাবে- নিম্নকক্ষ এবং উচ্চকক্ষ। নির্বাচনে যারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নিয়ে হবে সংসদের নিম্নকক্ষ। নির্বাচিত ৩০০ জনের সঙ্গে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য যুক্ত হবেন ৫০ জন।

উচ্চকক্ষ গঠিত হবে প্রথম সংসদ অধিবেশন হওয়ার ২১০ দিনের মধ্যে। প্রথম ১৮০ দিন নিম্নকক্ষের সদস্যরা সংবিধান সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করবেন। পরের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে, যার মেয়াদ থাকবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।

উচ্চকক্ষ গঠনের পদ্ধতি সংশোধিত সংবিধান ও প্রণীত আইনের ওপর নির্ভর করবে। সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারেন, আবার পরোক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থাও থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞ, নারী বা সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে মনোনয়ন ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে।

উচ্চকক্ষে মোট সদস্য হবেন ১০০ জন। সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দল যে পরিমাণ ভোট পাবে, সেই আনুপাতিক হারে (পিআর পদ্ধতি) সদস্য মনোনীত হবে। অর্থাৎ কোনো দল যদি ৪০ শতাংশ ভোট পায়, তাহলে তারা ৪০টি আসন পাবে। আবার কেউ ১ শতাংশ ভোট পেলে তাদের ১ জন প্রতিনিধি থাকবে উচ্চকক্ষে।

এবার আসা যাক সংসদের কাজ নিয়ে। বাংলাদেশের সংসদ মূলত আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সভা। এখান থেকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন আইন পাশ হয়ে থাকে। এখানে একজন স্পীকার ও এক বা একাধিক ডেপুটি স্পীকার থাকেন, যারা সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন। সংসদের একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদে মূলত আইন প্রণয়ন প্রস্তাব বিল আকারে হয়। এটি প্রথমে সংসদে প্রস্তাব করা হয়। পরে পরে বিবেচনা ও অনুমোদনের জন্য ভোট হয়। এছাড়া কোনো প্রকার কর আরোপ বা অর্থ ব্যয় করতে হলে সংসদের অনুমোদন লাগে। তবে সাংবিধানিকভাবে সংসদ পাস করা সব আইনের ওপর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন।

একটি বৈধ অধিবেশন চালানোর জন্য কোরাম (কথোপকথনে সভায় উপস্থিতি) প্রয়োজন, সাধারণত সদস্যদের একটি নির্দিষ্ট ন্যূনতম সংখ্যা উপস্থিত থাকতে হয়। উচ্চকক্ষ এবং নিম্নকক্ষ সংসদের ক্ষেত্রে সংবিধান সংস্কার বা সংশোধনের জন্য নিম্নকক্ষের দুই-তৃতীয়াংশের ভোট এবং উচ্চকক্ষের মেজরিটির ভোট লাগবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা