আজ
|| ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২০শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
তারুন্যের শক্তি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে মগনামায় শিক্ষাবিদ নুরুল আমিনের নতুন চমক
প্রকাশের তারিখঃ ৭ এপ্রিল, ২০২৬
কক্সবাজারের পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান ভোট করবেন তারুণ্যের অহংকার শিক্ষাবিদ ও উদ্যোক্তা মো নুরুল আমিন। তারুণ্যের শক্তি এবং মগনামায়
ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন। একই সাথে হানাহানি, অনাচার ও অবিচার থেকে সমাজ এবং জনগনকে সুরক্ষা দিতে মগনামাকে নিয়ে তার ভবিষ্যৎ কথাও ঘোষণা করেন এ তরুন সমাজ সেবক। আছে মগনামার সমষ্টিগত উন্নয়ন ও বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্হাসহ আর্তকর্মসংস্হান দারিদ্র্য বিমোচন খাত নিয়ে তার ইতিবাচক ভাবনার অঙ্গিকারও।
মো নুরুল আমিন সর্বজন প্রশংসিত ব্যক্তিত্ব। ক্লিন ইমেজ রয়েছে তার। মগনামাকে নিয়ে নুরুল আমিনের চিন্তা ভাবনা বহু আগে থেকে। স্কুল জীবন ৯ম শ্রেণিতে যখন পড়ছিলেন সেই সময় থেকে নুরুল আমিন নিজ জন্মভূমি মগনামাকে ভাবতে শুরু করেছে। অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ভাগ্যন্নোয়নে কিভাবে নিজকে সম্পৃক্ত রাখা যায় সে বাসনায় তার জাগে মনেপ্রাণে । সে চিত্তের প্রতিফলন ঘটাতে নুরুল আমিন মগনামার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে উন্নয়নের অভিষ্ট্য লক্ষ্য পৌঁছাতে কাজ করছেন। নুরুল আমিন বলেন আমি শিকড় থেকে আমাকে খোঁজার চেষ্টা করছি। পৃথিবীকে যেভাবে দেখি তা তো গড়ে উঠেছে। আমার ছোটবেলার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মানুষের ভাবনা নিয়ে পথচলা শুরু করেছি। আমি প্রচেষ্টা চালায় ইচ্ছ্বা শক্তির প্রতিফলন ঘটাতে। জনগনকে আহবান করছি তারুণ্যের শক্তি, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও উন্নত মগনামা ইউনিয়ন গড়তে আসুন সবাই একসঙ্গে কাজ করি।
এদিকে আগামী ইউপি নির্বাচনে চমক আসতে পারে মগনামায়। এ চমক নুরুল আমিনকে নিয়েই মুলত। তিনিতো পৌঁছে গেছেন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে। তার প্রতি বেড়েছে জনগনের উচ্ছ্বাস ও আগ্রহ। এসবের কারনে মানুষ তার ওপর অনুগত। নুরুল আমিন শুধুমাত্র মগনামা নন তিনিতো পুরাে উপজেলায় বেশ পরিচিত। শিক্ষাবিদ হিসাবে তিনি পেকুয়ায় বেশ সমাদৃত। রয়েছে আলাদা সম্মান ও গ্রহনযোগ্যতা। শিক্ষা বিস্তার ও এর উন্নয়নে মগনামাসহ সমগ্র উপজেলায় আছে অবদান। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরেই শিক্ষার প্রসারে দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন। এক্ষেত্রে নুরুল আমিন নিজকে মেলে ধরতে সক্ষম ছিলেন। করেছেন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত। তিনি একজন শিক্ষক। বহু প্রতিষ্ঠানে তিনি শিক্ষকতা করেন। পেকুয়ায় কিংস্টন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষকের ভুমিকাও তার। রাজাখালী ফৈয়জুন্নেছা স্কুল এন্ড কলেজে নুরুল আমিন শিক্ষকতা করেছেন। প্রভাষক ও কো অডিনেটর পদে আছেন নুরুল আমিন ওই প্রতিষ্ঠানে।
নুরুল আমিন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত। ২০০১ সালে শীলখালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস,এসসি পাশ করে। ২০০৩ সালে চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ২০০৭ সেশনে বিবিএ ও ২০০৯ সেশনে এমবিএ নিয়ে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০১৩ সালে তিনি চট্টগ্রাম আইন কলেজ থেকে এল,এল,বি করেন। শিক্ষার উন্নয়ন প্রকল্প ও ব্যবস্হাপনা নিয়ে নিয়েছেন উচ্চতর প্রশিক্ষণও। পেকুয়া উপজেলায় কিন্ডারগার্টেন এসোশিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। মগনামা সমিতি,চট্টগ্রামস্হ পেকুয়া উপজেলা ছাত্র যুব কল্যান পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক, এপেক্স ক্লাব অব পেকুয়ার দায়িত্ব পালন করেন। সাবেক সাধারণ সম্পাদক মগঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটিতে।
নুরুল আমিনের পিতা ছালেহ আহমদও একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি ছিলেন। ছালেহ আহমদ মেম্বার মগনামার মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত ছিলেন। সমাজ সেবক ও জনদরদী হিসাবে নুরুল আমিনের ছালেহ আহমদ মেম্বার হিসাবে অবিভক্ত মগনামা ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। ৯০ দশকের আগে অবিভুক্ত ইউনিয়নের সাবেক ১নং ওয়ার্ড থেকে একমাত্র ছালেহ আহমদই সর্বাধিক ভোট পেয়ে মেম্বার নির্বাচিত হন। তিনজন নির্বাচিতদের মধ্য ছালেহ আহমদ মেম্বার সবার ছেয়ে বেশী ভোট পান।
মরহুম পিতার দেখানো সেই পথেই এগোতে চান এ উচ্চ শিক্ষিত যুবক নুরুল আমিন। জনগনকে নিয়ে বাবার যেমন স্বপ্ন ছিল তারই একই স্বপ্ন। সে প্রেরনা নিয়ে নুরুল আমিন মগনামার মাটি ও মানুষকে ভালবাসে। তিনি বলেন আমি শৈশব থেকেই এ মাটি ও মানুষকে নিয়ে কাজ করার দৃঢ প্রত্যশা রয়েছে। সকলে মিলে এ মগনামা ইউনিয়নকে গড়ে তুলি। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই এ মগনামার সমষ্টিগত উন্নয়ন ও পরিবর্তনের জন্য।
নুরুল আমিন আরাে বলেন আমরা ৭ ভাইবোন। বাবা মারা যান। মা বেঁচে আছেন। ভাইদের মধ্য সবাই কর্মজীবী। একভাই প্রবাসে রয়েছে। আমরা ৪ ভাই দেশে কঠোর পরিশ্রম করছি। ব্যবসা বানিজ্য আছে আছে আমাদের। পরিবার পরিজন ও সর্বোপরি মগনামা ইউনিয়ন বাসীর সমর্থন ও প্রেরনা নিয়েই আমার ভবিষ্যৎ পথচলা।
Copyright © 2026 বিবিসি একাত্তর. All rights reserved.