আজ
|| ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
পেকুয়ায় এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে জায়গা জবর দখল চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনে
প্রকাশের তারিখঃ ১২ এপ্রিল, ২০২৬
কক্সবাজারের পেকুয়া থানার অদূরে রাতের আধারে জায়গা জবর দখলে নিতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর গাছপালা নিধনের অভিযোগে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা বেলাল হায়দারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভোক্তভোগী পরিবার।
গত ৯ এপ্রিল দুপুর ২টায় পেকুয়া থানা রোডের ফিরোজ আহমদ চৌধুরী জামে মসজিদের পাশে নাসির উদ্দিন সিকদার সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, বিএস ১১২০ নং খতিয়ান থেকে ০৮/১১/ ১৯৯৮ ইং ৩২৪৮ নং দলিল,
১১/১২/২০০১ ইং ৪৯২৮ নং দলিল সহ
দুদলিলে ৩০ শতক জমি ক্রয় করে। জমাভাগ খতিয়ান ২৫/৯৬১৩ সৃজন করে অদ্যবদি ভোগদখলে আছেন।
বেলাল হায়দারের সাথে ১ কোটি টাকা মূল্যে
২০২১ সালে ১২ শতক জমির বিক্রয় বায়না নামা হয়। রেজিস্ট্রার বায়নায় কৌশলে ১২ শতক জমির মূল্য ১০ লাখ টাকা উল্লেখ করে যা পরবর্তী জানাজানি হয়ে গেলে বনিবনা না হওয়ায় আর রেজিষ্ট্রি দেয়া হয়নি।
কেননা সে সময়ে ২ শতক জমির ক্রয় বিক্রয় মূল্য ২০ -২৫ লাখ টাকা ছিল। মৌখিক কথা আর বায়নার লিখিত মূল্যে বিরাট ব্যবধান হওয়ায় স্থানীয় ভাবে অনেক সালিশ বৈঠক হয়। ডা বেলাল কারো কথা শুনেনি। ২০২৫ সালে মেয়াদোত্তীর্ণ বায়না মুলে চকোরিয়া জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন যা চলমান। আদালতের ফায়সালার পূর্বে আধিপত্য বিস্তার করে জায়গা জবর দখলের হুমকি দেয়া শুরু করে। অব্যাহত হুমকি ধমকিতে নাসির উদ্দিনের ছেলে আবদুর রহিম সজিব বাদী হয়ে গত ২৫/০৩/২৬ পেকুয়া থানায় ডা বেলাল হায়দারের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন। যার নং ১০৬৪।
নাসির উদ্দিনের স্ত্রী রেহেনা বেগম বলেন তার অসুস্থ স্বামীর সাথে প্রতারণা করে ডা বেলাল হায়দার ১ কোটি টাকা মুল্যের জায়গা মাত্র ১০ লাখ টাকায় রেজিস্ট্রার বায়না করে ফেলে। এর পর থেকে হয়রানি করে আসছে।
সজিব বলেন তার অসুস্থ বাবাকে কোন কিছু বুঝতে না দিয়ে কৌশল অবলম্বন করে এমন জঘন্য কাজ করে জায়গা ভাগিয়ে নিতে ডা বেলাল হায়দার মরিয়া হয়ে ওঠেছে। অব্যাহত হুমকি প্রদানের পর ৮ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটের সময় সশত্র বাহিনী নিয়ে হামলা করে ঘেরা ভাংচুর ও গাছপালা নিধন করেছে বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলেও প্রভাবশালী হওয়ায় ডিউটি অফিসার অভিযোগ নেয়নি বলেও তিনি অভিযোগ তুলেন।
এব্যাপারে ডা বেলাল হায়দারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন কে বা কারা ভাংচুর করেছে তা তিনি অবগত নন উল্লেখ করে আরো বলেন, পেকুয়া মৌজার বিএস ১১২০ খতিয়ান থেকে ২০১৯ সালে আলী হাসান চৌধুরী থেকে রেজিস্ট্রার সাফ কবলা মুলে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় বিচারে জায়গাটি তার পক্ষে রায় প্রদান করলেও ১২ শতক জমি ২০২১ সালে নাসির উদ্দিন কাজলের সাথে রেজিস্ট্রার বায়নানামা করি। জমির বাজার মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় কিছু কুচক্রী মহলের ইন্দনে রেজিস্ট্রি না দিয়ে তালবাহনা শুরু করে।
এব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি(তদন্ত) ইমরুল হাসান জানান, কেউ এরকম অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছেন তা তিনি জানেননা। তার সাথে যোগাযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Copyright © 2026 বিবিসি একাত্তর. All rights reserved.